এইচটিএমএল পেইজ লে আউট

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে যে বিষয়টি ভালভাবে মাথায় রাখতে হয় তা হল ওয়েব পেজ লে-আউট। এখন প্রশ্ন হল লে-আউট কি?

লে-আউট হল পেজের কনটেন্ট ও অন্যান্য বিষয়বস্তু কোথায় সন্নিবেশিত থাকবে তার একটি পরিকল্পনা বা পদ্ধতি। ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে যে বিষয় মাথায় রাখতে হয় তার মধ্যে প্রধান প্রধান বিষয়গুলো হল হেডার,ফুটার,সাইডবার,মেইন পার্ট, সেকশন ইত্যাদি। এই বিষয় গুলো নিয়ে ভেবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হলে তা সহজেই ভিজিটরদের প্রশংসার যোগ্য হয়। একটি ওয়েবসাইটের সব গুলো বিষয় কিন্তু কখনোই এক জায়গায় এলোমেলো ভাবে থাকে না। এগুলো একটি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে  পর পর বসানো হয়। একটি ওয়েবসাইটের সর্বোচ্চ উপর দিকে থাকে হেডার বা পরিচিতি অংশ। এর মাধ্যমে ভিসিটররা সহজেই সাইট সম্পর্কে ধারণা পায়। এই হেডারের মাঝেই থাকে নেভিগেশন মেনু। এই মেনুর বিভিন্ন অংশে গুরুতপূর্ণ লিংক সমূহ যোগ করা  হয়। হেডার পর সাধারণত পেইজের কনটেন্ট রাখার ব্যবস্থা করা হয়। এখনেই স্বাভাবিকত বিভিন্ন লেখার অংশবিশেষ বা পুরো অংশ থাকে। এছাড়াও থাকে সাইডবার যেখানে ওয়েবপেজের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সন্নিবেশিত থাকে। এছাড়াও সাইডবার বিভিন্ন রকম এড প্রদর্শন করার জন্যও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। নিচের ছবিটির মাধ্যমে আশা করি বিষয়টি আরো পরিস্কার হবে।

html page layout-mixedbdblog

এছাড়াও আছে রেসপন্সিব ওয়েব লে আউট। এর মানে হল আপনাকে এমন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে যা একই সাথে কম্পিউটার,ট্যাব,মোবাইল এবং মোটামোটি সব ধরনের ডিভাইস থেকেই সহজে দেখা সম্ভব হয়। আর এই বিষয়টিই হল রেসপন্সিব ওয়েব লে আউট।

সহজ কথায় বলতে গেলে ওয়েবসাইটের লে-আউট হল সাইটটির কোন অংশে কি কি থাকবে এবং কোন অংশের সাইজ কেমন হবে তা নির্ণয় করে নেওয়া।

Advertisements

আপনার মতামত জানান

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s